ডায়াবেটিসে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি কিডনির রোগ
অনলাইন ডেস্ক | তারিখ: ২৫-০১-২০১৩
আপনার যদি ডায়াবেটিস থাকে, এখনই কিডনির প্রতি যত্নবান হোন। এই যত্ন আপনাকে দিতে পারে দীর্ঘজীবন। মার্কিন গবেষকদের দেওয়া ওই তথ্যের বরাত দিয়ে আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের চালানো এক গবেষণার ফলাফলের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডায়াবেটিসের কারণে কিডনির রোগে আক্রান্ত হয়ে অল্প বয়সে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি।
গবেষণায় ১০ বছর ধরে ১৫ হাজারেরও বেশি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ও ডায়াবেটিসমুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর হার পর্যালোচনা করা হয়েছে। গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধটি ‘জার্নাল অব দ্য আমেরিকান সোসাইটি অব নেফ্রোলজি’তে প্রকাশিত হয়েছে।
নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, গবেষণায় ডায়াবেটিসমুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ কিডনির রোগে আক্রান্ত বলে পাওয়া গেছে। ডায়াবেটিসে ভোগা রোগীদের মধ্যে কিডনিতে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তির হার ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ।
গবেষণায় দেখা গেছে, এক দশকের এই গবেষণা চলাকালে ডায়াবেটিস বা কিনডির জটিলতা নেই এমন ব্যক্তিদের মাত্র ৭ দশমিক ৭ শতাংশ মারা গেছে। এই মৃত্যুর হার ডায়াবেটিসে ভোগা (কিডনির সমস্যা নেই) ব্যক্তিদের ১১ দশমিক ৫ শতাংশ। উভয় সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৩১ দশমিক ১ শতাংশ।
এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাজ্য। দেশটির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ ডায়াবেটিসের কারণে সৃষ্ট কিডনির জটিলতা শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নিচ্ছে না।
২০১২ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রতি ১০ জনে সাতজন রোগী বড় ধরনের রোগের ক্ষেত্রে প্রতিবছর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে থাকেন। প্রায় ৫ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক ডায়াবেটিস পরীক্ষা করান এবং সে অনুযায়ী জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এটি তাঁদের জীবনের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার খবর জেনেও যাঁরা নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করেন না, পরবর্তী সময়ে তাঁরা বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হন।
গবেষণা দলের প্রধান মরিয়ম আফকারিয়ান বলেন, ‘টাইপ-টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হূদরোগ ও মৃত্যুঝুঁকিতে বেশি ভোগেন। তাই আমরা ধারণা করছি, এর কারণে কিডনির জটিলতাও বাড়ে।’
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে কাজ করা ডায়াবেটিস ইউকের ক্লিনিক্যাল উপদেষ্টা ক্যাথি মাওলটন বলেন, ডায়াবেটিস যদি অল্প বয়সেই ধরা পড়ে, তবে রক্তচাপের ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের চালানো এক গবেষণার ফলাফলের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, ডায়াবেটিসের কারণে কিডনির রোগে আক্রান্ত হয়ে অল্প বয়সে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি।
গবেষণায় ১০ বছর ধরে ১৫ হাজারেরও বেশি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ও ডায়াবেটিসমুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর হার পর্যালোচনা করা হয়েছে। গবেষণা-বিষয়ক নিবন্ধটি ‘জার্নাল অব দ্য আমেরিকান সোসাইটি অব নেফ্রোলজি’তে প্রকাশিত হয়েছে।
নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, গবেষণায় ডায়াবেটিসমুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ দশমিক ৪ শতাংশ কিডনির রোগে আক্রান্ত বলে পাওয়া গেছে। ডায়াবেটিসে ভোগা রোগীদের মধ্যে কিডনিতে আক্রান্ত হওয়া ব্যক্তির হার ৪২ দশমিক ৩ শতাংশ।
গবেষণায় দেখা গেছে, এক দশকের এই গবেষণা চলাকালে ডায়াবেটিস বা কিনডির জটিলতা নেই এমন ব্যক্তিদের মাত্র ৭ দশমিক ৭ শতাংশ মারা গেছে। এই মৃত্যুর হার ডায়াবেটিসে ভোগা (কিডনির সমস্যা নেই) ব্যক্তিদের ১১ দশমিক ৫ শতাংশ। উভয় সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৩১ দশমিক ১ শতাংশ।
এই গবেষণার ফলাফল নিয়ে শঙ্কিত যুক্তরাজ্য। দেশটির বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ ডায়াবেটিসের কারণে সৃষ্ট কিডনির জটিলতা শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নিচ্ছে না।
২০১২ সালের এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যে প্রতি ১০ জনে সাতজন রোগী বড় ধরনের রোগের ক্ষেত্রে প্রতিবছর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে থাকেন। প্রায় ৫ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক ডায়াবেটিস পরীক্ষা করান এবং সে অনুযায়ী জীবনযাপনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এটি তাঁদের জীবনের ওপর ভালো প্রভাব ফেলে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার খবর জেনেও যাঁরা নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন করেন না, পরবর্তী সময়ে তাঁরা বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হন।
গবেষণা দলের প্রধান মরিয়ম আফকারিয়ান বলেন, ‘টাইপ-টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হূদরোগ ও মৃত্যুঝুঁকিতে বেশি ভোগেন। তাই আমরা ধারণা করছি, এর কারণে কিডনির জটিলতাও বাড়ে।’
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে কাজ করা ডায়াবেটিস ইউকের ক্লিনিক্যাল উপদেষ্টা ক্যাথি মাওলটন বলেন, ডায়াবেটিস যদি অল্প বয়সেই ধরা পড়ে, তবে রক্তচাপের ওষুধ খাওয়ার মাধ্যমে ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।





0 comments:
Post a Comment